বগুড়া-৪ আসনে সংঘর্ষে বিএনপি-জামায়াতের ৬ কর্মী আহত, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
বগুড়া-৪ আসনে ভোটের অর্থ লেনদেনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে।
সোমবার মধ্যরাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রাম এবং একই দিন বিকেলে ভুসকুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা ও তার ভাই আমিনুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে জামায়াত ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তিকে আটক করলে পুলিশ উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও জামায়াতের বিপুলসংখ্যক কর্মী লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
এ সময় মাসুদ রানার বাড়িসহ তিনটি বাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং আটক ব্যক্তিদের ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন, হামলার ঘটনায় জামায়াত জড়িত নয়। বরং বিএনপি কর্মীরা তাদের নেতাকর্মীদের মারধর ও আটকে রেখে নির্যাতন করেছে। তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন—বিএনপির মাসুদ রানা ও আমিনুল এবং জামায়াতের ফারুক, বেলাল, বাকিউল ও গালিব।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আহত মাসুদ রানার পক্ষে নন্দীগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মামলা করা হয়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।