ফাইবারে এগিয়ে কোন ফল? চেনা ফলের পুষ্টিগুণে সংক্ষিপ্ত তালিকা
দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ফল মানেই ভিটামিন ও খনিজের যোগান।
তবে ফাইবারের মাত্রার দিক থেকেও সব ফল সমান নয়। যাঁরা আঁশযুক্ত খাবার বাড়াতে চান, তাঁদের জন্য রইল পরিচিত কয়েকটি ফলের তুলনামূলক চিত্র।
পেয়ারা: ফাইবারের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে। মাঝারি আকারের একটি পেয়ারা থেকে প্রায় ৮–৯ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর।
নাসপাতি: একটি মাঝারি নাসপাতিতে ৬–৮ গ্রাম পর্যন্ত ফাইবার থাকতে পারে।
পাশাপাশি এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে ও কপারের মতো খনিজও রয়েছে।
আপেল: মাঝারি আকারের একটি আপেলে মেলে প্রায় ৪.৪–৫ গ্রাম ফাইবার।
ডায়াবেটিক থেকে শিশু— সবার জন্যই উপকারী ফল।
কলা: একটি মাঝারি কলায় প্রায় ৩.১ গ্রাম ফাইবার থাকে। পেট পরিষ্কারে উপকারী ও স্বাদেও জনপ্রিয়।
কমলালেবু: মাঝারি মাপের একটি কমলালেবুতে প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার মেলে।
ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ এই ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।
এ ছাড়া এক কাপ রাস্পবেরিতে প্রায় ৮ গ্রাম ফাইবার থাকে।
আনারস ও তরমুজেও ফাইবার আছে, তবে তুলনামূলক কম।
ফাইবারের চাহিদা পূরণে তাই ফল বাছাইয়ে সচেতন হওয়াই শ্রেয়।